আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০১ ডলার ছাড়িয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ৯৩ সেন্ট বা ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৫১ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৮২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ২৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মেক্সিকো উপসাগরে সৃষ্ট একটি ক্রান্তীয় ঝড় দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বছরের প্রথম আটলান্টিক হারিকেনে রূপ নিতে পারে—এমন পূর্বাভাসে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং শোধনাগারের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মোট অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের প্রায় ১৫ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ মেক্সিকো উপসাগরীয় অঞ্চলে হয়ে থাকে। ঝড়ের কারণে উপকূলীয় এলাকার ছয়টি শোধনাগারের কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে। দেশটির উপসাগরীয় উপকূলীয় অঙ্গরাজ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মোট পরিশোধন সক্ষমতার প্রায় অর্ধেকের প্রতিনিধিত্ব করে। দেশটির মোট পরিশোধন সক্ষমতা দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ ব্যারেল।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়াও বাজারে দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। ২ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ২০ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল কমেছে। একই সময়ে পেট্রোলের মজুতও কমেছে। তবে ডিস্টিলেটের মজুত সামান্য বেড়েছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। মঙ্গলবার সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে প্রতিদিন ৫৮ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে। গত সাত থেকে ১০ দিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ২০ লাখ ব্যারেল পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ হয়েছে।
তবে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটে। ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর অভিযান চলার মধ্যেই এসব হামলা হয়েছে। অভিযানে রিয়াদ আকাশপথে সহায়তা দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ঝড়জনিত সরবরাহ ঝুঁকি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের আশপাশে অবস্থান করছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ৯৩ সেন্ট বা ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০১ দশমিক ৫১ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ৮২ সেন্ট বা ০ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ২৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মেক্সিকো উপসাগরে সৃষ্ট একটি ক্রান্তীয় ঝড় দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বছরের প্রথম আটলান্টিক হারিকেনে রূপ নিতে পারে—এমন পূর্বাভাসে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং শোধনাগারের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মোট অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের প্রায় ১৫ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ মেক্সিকো উপসাগরীয় অঞ্চলে হয়ে থাকে। ঝড়ের কারণে উপকূলীয় এলাকার ছয়টি শোধনাগারের কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে। দেশটির উপসাগরীয় উপকূলীয় অঙ্গরাজ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মোট পরিশোধন সক্ষমতার প্রায় অর্ধেকের প্রতিনিধিত্ব করে। দেশটির মোট পরিশোধন সক্ষমতা দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ ব্যারেল।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়াও বাজারে দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। ২ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ২০ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল কমেছে। একই সময়ে পেট্রোলের মজুতও কমেছে। তবে ডিস্টিলেটের মজুত সামান্য বেড়েছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। মঙ্গলবার সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে প্রতিদিন ৫৮ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে। গত সাত থেকে ১০ দিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ২০ লাখ ব্যারেল পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ হয়েছে।
তবে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের জাজান ও নাজরান বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ঘটে। ইরান-সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর অভিযান চলার মধ্যেই এসব হামলা হয়েছে। অভিযানে রিয়াদ আকাশপথে সহায়তা দিচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ঝড়জনিত সরবরাহ ঝুঁকি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের আশপাশে অবস্থান করছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক